অনেকদিন আগে এক ভাইয়ের কাছ থেকে
শুনেছিলাম মজবুত
ঈমান এবং দুর্বল ঈমানের পার্থক্য সম্বন্ধীয় একটি
অসাধারণ
উদাহরণ। আপনাদের সামনে অই ভাইয়ের দেয়া
উদাহরণটি
তুলে ধরছি।
.
"যখন একজন সাপুরে সাপের গর্তের সামনে গিয়ে
তার বাশি
বাজায় তখন যেসমস্ত সাপের বিষক্রিয়া কম থাকে তারা
গর্তের ভিতর থেকে বের হয় না। গর্তের
ভেতরেই তারা
নড়াচড়া করতে থাকে কিন্তু বের হতে পারে না।
অপরদিকে
যখন সাপুরে কোন এক অধিক বিষধর সাপের
গর্তের সামনে
গিয়ে বাশি বাজায় তখন অই সাপ বাঁশির শব্দ সহ্য করতে
না পেরে গর্তের ভিতর থেকে খুব দ্রুত
বেরিয়ে আসে এবং
খুব উত্তেজিত থাকে।
এবার আসি মূল কথায়, এখানে বোঝানো হয়েছে,
একজন
কমজোর ঈমানদার লোক যখন আযানের ধ্বনি
শুনে তখন সে
বিছানায় এদিক সেদিক নড়াচড়া করতে থাকে। সে
বিছানা ত্যাগ করে মসজিদের দিকে যেতে পারে
না।
অথবা তার কাজকর্ম তাকে আটকে রাখে।
অপরদিকে যখন
একজন মজবুত ঈমানদার লোক আযানের ধ্বনি
শোনে তখন সে
ঐ অধিক বিষধর সাপের মত তার বিছানা ত্যাগ করে ঘর
থেকে বেড়িয়ে নামায আদায়ের জন্য মসজিদের
দিকে
রওয়ানা হয়। অথবা তার কাজকর্ম কোন কিছুই তাকে
নামাযে বাধা দিতে পারে না। সো পার্থক্যটা আপনারাই
বুঝে নিন।
.
অনেকের মুখে বলতে শোনা যায় নামায রোযা
আদায় না
করলেও আমার ঈমান ঠিক আছে।আমি বলব ভাই
ঈমানের
সংজ্ঞাটি আপনি ভালভাবে জেনে নিন। আচ্ছা ভাই
মানলাম আপনার ঈমান আছে কিন্তু এই ঈমান দিয়ে কি
হবে
যদি আল্লাহর সবচেয়ে বড় হুকুম নামাযই আদায়
করতে না
পারি? রমযানে রোযাই রাখতে না পারি?
.
থাক কথা আর বেশি বাড়ালাম না, সবাই এখন থেকেই
প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন যে আর কখনও নামায ছাড়ব না।
সামনে
রমযান আসছে এই প্রতিজ্ঞাও করুন যে একটাও
রোযা
ভাঙ্গবো না।
আল্লাহ তায়ালা সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুক।
শুনেছিলাম মজবুত
ঈমান এবং দুর্বল ঈমানের পার্থক্য সম্বন্ধীয় একটি
অসাধারণ
উদাহরণ। আপনাদের সামনে অই ভাইয়ের দেয়া
উদাহরণটি
তুলে ধরছি।
.
"যখন একজন সাপুরে সাপের গর্তের সামনে গিয়ে
তার বাশি
বাজায় তখন যেসমস্ত সাপের বিষক্রিয়া কম থাকে তারা
গর্তের ভিতর থেকে বের হয় না। গর্তের
ভেতরেই তারা
নড়াচড়া করতে থাকে কিন্তু বের হতে পারে না।
অপরদিকে
যখন সাপুরে কোন এক অধিক বিষধর সাপের
গর্তের সামনে
গিয়ে বাশি বাজায় তখন অই সাপ বাঁশির শব্দ সহ্য করতে
না পেরে গর্তের ভিতর থেকে খুব দ্রুত
বেরিয়ে আসে এবং
খুব উত্তেজিত থাকে।
এবার আসি মূল কথায়, এখানে বোঝানো হয়েছে,
একজন
কমজোর ঈমানদার লোক যখন আযানের ধ্বনি
শুনে তখন সে
বিছানায় এদিক সেদিক নড়াচড়া করতে থাকে। সে
বিছানা ত্যাগ করে মসজিদের দিকে যেতে পারে
না।
অথবা তার কাজকর্ম তাকে আটকে রাখে।
অপরদিকে যখন
একজন মজবুত ঈমানদার লোক আযানের ধ্বনি
শোনে তখন সে
ঐ অধিক বিষধর সাপের মত তার বিছানা ত্যাগ করে ঘর
থেকে বেড়িয়ে নামায আদায়ের জন্য মসজিদের
দিকে
রওয়ানা হয়। অথবা তার কাজকর্ম কোন কিছুই তাকে
নামাযে বাধা দিতে পারে না। সো পার্থক্যটা আপনারাই
বুঝে নিন।
.
অনেকের মুখে বলতে শোনা যায় নামায রোযা
আদায় না
করলেও আমার ঈমান ঠিক আছে।আমি বলব ভাই
ঈমানের
সংজ্ঞাটি আপনি ভালভাবে জেনে নিন। আচ্ছা ভাই
মানলাম আপনার ঈমান আছে কিন্তু এই ঈমান দিয়ে কি
হবে
যদি আল্লাহর সবচেয়ে বড় হুকুম নামাযই আদায়
করতে না
পারি? রমযানে রোযাই রাখতে না পারি?
.
থাক কথা আর বেশি বাড়ালাম না, সবাই এখন থেকেই
প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন যে আর কখনও নামায ছাড়ব না।
সামনে
রমযান আসছে এই প্রতিজ্ঞাও করুন যে একটাও
রোযা
ভাঙ্গবো না।
আল্লাহ তায়ালা সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুক।
No comments:
Post a Comment